মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
পাতা

মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধার তালিকা

সাহসী বীর সন্তানদের মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা সংগ্রামে ১৯৭১ সনের বিশ্বের মানচিত্রে বাংলাদেশ নামক দেশটির পরিচিতি ঘটে। দীর্ঘ নয় মাস সশস্র সংগ্রামের মধ্য দিয়ে স্বাধীনতা অর্জিত হয়। রেলপথ, নদীপথ ও সড়কপথে বৃহত্তর সিলেট, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ঢাকা ও চট্রগ্রামের সাথে যোগাযোগের সুবিধা থাকায় ভৈরব এলাকার প্রায় প্রতিটি মানুষ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে যুদ্ধে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছিল। সর্বশেষ প্রকাশিত গেজেট অনুযায়ী ভৈরব উপজেলার মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা ৪৪৯ জন। স্বাধীনতা যুদ্ধে শহীদ হয়েছেন ১১ জন বীর মুক্তিযোদ্ধা। যুদ্ধকালীন ভৈরবের ঐতিহ্যবাহী রেলসেতুটি পাক হানাদার বাহিনী কর্তৃক বিধ্বস্ত হয়। যুদ্ধে কত মানুষ নিহত হয়েছেন এর কোন সঠিক পরিসংখ্যান পাওয়া যায় না। হানাদার বাহিনী ১৪ এপ্রিল ১৯৭১, পহেলা বৈশাখ ১৩৮৭ বঙ্গাব্দে ভৈরব উপজেলার পানাউল্লারচরে নারকীয় হত্যাযজ্ঞ চালিয়ে কয়েকশত নিরস্র লোককে নির্মমভাবে হত্যা করে। নৃশংস ও বর্বর এ হত্যাযজ্ঞের স্মৃতি রক্ষার্থে ব্রহ্মপুত্র নদের তীরে কিশোরগঞ্জ-ঢাকা মহাসড়কের অনতিদূরে পানাউল্লারচরের বধ্যভূমিতে ৪০ শতক জমিতে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি ভাস্কর্য নির্মাণ করা হয়। উক্ত স্মৃতি ভাস্কর্যে যাতায়াতের সুবিধার্থে স্থানীয় সরকার বিভাগের অর্থায়নে ইতোমধ্যে রাস্তা নির্মাণ করা হয়েছে এবং কিশোরগঞ্জ-ঢাকা মহাসড়কের পার্শ্বে একটি তোরণ নির্মাণাধীন রয়েছে। ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে ভৈরব চৌরাস্তায় নির্মিত মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভ ‘‘দূর্জয়’’ একটি আধুনিক স্থাপনা যা স্বাধীনতা সংগ্রামের স্বাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। মুক্তিযুদ্ধে ভৈরববাসীর অবদান অনস্বীকার্য ।

নিচের লিঙ্কে ভৈরব উপজেলার মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা পেশ করা হল:

সংযুক্তি