Wellcome to National Portal
মেনু নির্বাচন করুন
Main Comtent Skiped

সাংগঠনিক কাঠামো

 

ভৈরব পৌরসভা একটি প্রথম শ্রেণীর পৌরসভা।

১। মেয়র ০১ জন।

এখানে ০৩টি বিভাগ রয়েছে।

১। প্রকৌশল বিভাগ

২। প্রশাসন বিভাগ।

৩। স্বাস্থ্য পরিবার ও পরিকল্পনা ও পরিচ্ছন্নতা বিভাগ

 

১। প্রকৌশল বিভাগে রয়েছে : ১। নির্বাহী প্রকৌশলী

                                                         ক) পানি ও সরবরাহ ও পয়: নিষ্কাশন শাখা,

                                                         খ) পূর্ত, বিদ্যুৎ ও যান্ত্রিক শাখা

 

২। প্রশাসন বিভাগ : ১। সচিব

                                    ক) সাধারণ শাখা

                                    খ) হিসাব শাখা

                                    গ) এসেসমেন্ট শাখা

                                    ঘ) কর আদায়/লাইসেন্স শাখা

                                    ঙ) পৌর বাজার শাখা

                                    চ) শিক্ষা/ সংস্কৃতি পাঠাগার শাখা।

 

৩। স্বাস্থ্য পরিবার ও পরিকল্পনা ও পরিচ্ছন্নতা বিভাগ : ১। স্বাস্থ্য কর্মকর্তা

                                                                                     ক) পরিচ্ছন্নতা শাখা

                                                                                     খ) স্বাস্থ্য পরিবার পরিকল্পনা শাখা।

 

 

পৌরসভা সংক্রান্ত বিদ্যমান অধ্যাদেশ রহিত করিয়া একটি নূতন আইন প্রণয়নকল্পে প্রণীত আইন

 
 
যেহেতু পৌরসভা সংক্রান্ত বিদ্যমান অধ্যাদেশ রহিত করিয়া একটি নূতন আইন প্রণয়ন করা সমীচীন ও প্রয়োজনীয়;

সেহেতু এতদ্বারা নিম্নরূপ আইন করা হইলঃ-
   
    ১ম ভাগ
প্রারম্ভিক
   
সংক্ষিপ্ত শিরোনাম প্রয়োগ ও প্রবর্তন  
১৷ (১) এই আইন স্থানীয় সরকার (পৌরসভা) আইন, ২০০৯ নামে অভিহিত হইবে।

(২) ইহা সমগ্র বাংলাদেশে প্রযোজ্য হইবেঃ

তবে শর্ত থাকে যে, সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, কোন নির্দিষ্ট এলাকা বা পৌর এলাকা বা পৌরসভাকে এই আইন বা তদধীন প্রণীত বিধি বা প্রবিধানের সকল বা যে কোন বিধানের প্রয়োগ হইতে অব্যাহতি প্রদান করিতে পারিবে।

(৩) এই আইনের- 

(ক) ধারা ৩৬, ৮০, ৯৮, ৯৯, ১০০, ১০১, ১০২, ১০৩, ১০৪, ১০৫ ও ১০৯ ব্যতীত অন্যান্য ধারাসমূহ ১৪ মে, ২০০৮ তারিখে কার্যকর হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে; এবং 

(খ) ধারা ৩৬, ৮০, ৯৮, ৯৯, ১০০, ১০১, ১০২, ১০৩, ১০৪, ১০৫ ও ১০৯ অবিলম্বে কার্যকর হইবে।
   
 
   
     
   
সংজ্ঞা  
২৷ বিষয় বা প্রসঙ্গের পরিপন্থী কোন কিছু না থাকিলে, এই আইনে,- 

(১) ‘আইন প্রয়োগকারী সংস্থা’ অর্থ পুলিশ বাহিনী, আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন, র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব), আনসার বাহিনী, ব্যাটালিয়ান আনসার, বাংলাদেশ রাইফেলস, কোস্ট গার্ড বাহিনী এবং প্রতিরক্ষা কর্মবিভাগসমূহ; 

(২) ‘আচরণ বিধি’ অর্থ এই আইনের অধীন প্রণীত আচরণ বিধি; 

(৩) ‘আর্থিক প্রতিষ্ঠান’ অর্থ আর্থিক প্রতিষ্ঠান আইন, ১৯৯৩ (১৯৯৩ সনের ২৭ নং আইন) এর ধারা ২ এবং অর্থ ঋণ আদালত আইন, ২০০৩ (২০০৩ সনের ৮ নং আইন) এর ধারা ২ এ সংজ্ঞায়িত আর্থিক প্রতিষ্ঠান; 

(৪) ‘আবর্জনা’ অর্থ জঞ্জাল, উচ্ছিষ্ট, বিষ্ঠা-ময়লাদি, জীব-জন্তুর মৃতদেহ, নর্দমার তলানি, পয়ঃপ্রণালীর থিতানো বস্তু, ময়লার স্তুপ, বর্জ্য এবং অন্য যে কোন দূষিত পদার্থ; 

(৫) ‘ইমপ্রুভমেন্ট ট্রাস্ট’ অর্থ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষসহ যে কোন ব্যক্তি বা কর্তৃপক্ষ যাহা শহর উন্নয়ন কার্যক্রম সম্পাদনে দায়িত্বপ্রাপ্ত; 

(৬) ‘ইমারত’ অর্থে কোন দোকান, বাড়ীঘর, কুঁড়েঘর, বৈঠকঘর, চালা, আস্তাবল বা যে কোন প্রয়োজনে যে কোন দ্রব্য সহযোগে নির্মিত কোন ঘেরা, দেয়াল, পানি-সংরক্ষণাগার, বারান্দা, প্লাটফরম, মেঝে ও সিঁড়িও ইহার অর্ন্তভুক্ত হইবে; 

(৭) ‘ইমারত নির্মাণ’ অর্থ নূতন দালান নির্মাণ; 

(৮) ‘ইমারত পুনঃনির্মাণ’ অর্থ নির্দেশিতভাবে একটি ইমারতের উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন; 

(৯) ‘ইমারত রেখা’ অর্থ এইরূপ রেখা যাহার বাহিরে বিদ্যমান কিংবা প্রস্তাবিত রাস্তার দিকে ইমারতের বহির্মুখ বা বহির্দেয়ালের কোন অংশ প্রক্ষিপ্ত হইবে না; 

(১০) ‘উৎপাত’ অর্থ এমন যে কোন কাজ, ত্রুটি, স্থান বা দ্রব্য দ্বারা সৃষ্টি, ঘ্রাণ বা শ্রবণ যাহা জখম, বিপদ, বিরক্তি বা অপরাধ ঘটানো বা ঘটাইতে পারে যাহা জীবনের জন্য মারাত্মক অথবা স্বাস্থ্য বা সম্পদের জন্য ক্ষতিকারক;(১১) ‘উপ-আইন’ অর্থ এই আইনের অধীন প্রণীত উপ-আইন; 

(১২) ‘উপ-কর’ অর্থ এই আইনের অধীন আরোপিত উপ-কর; 

(১৩) 'উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ' অর্থ শহর উন্নয়নের কার্যাবলী সম্পাদনের দায়িত্বে নিয়োজিত কোন সংস্থা বা কর্তৃপক্ষ; 

(১৪) ‘ওয়ার্ড’ অর্থ একজন কাউন্সিলর নির্বাচনের উদ্দেশ্যে সীমানা নির্ধারিত একটি ওয়ার্ড; 

(১৫) 'কর' অর্থ কোন কর, উপ-কর, রেইট, টোল, ফিস, শুল্ক অথবা এই আইনের অধীন আরোপযোগ্য কোন করও ইহার অন্তর্ভুক্ত হইবে; 

(১৬) 'কাউন্সিলর' অর্থ পৌরসভার কোন কাউন্সিলর; 

(১৭) 'কারখানা' অর্থ বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ (২০০৬ সনের ৪২ নং আইন)-এর ধারা ২(৭) এ সংজ্ঞায়িত কারখানা; 

(১৮) ‘ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড’ অর্থ Cantonments Act,1924 (Act No. II of 1924) এর অধীন গঠিত ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড; 


(১৯) 'খাজনা' অর্থ আইনসম্মত উপায়ে কোন ইমারত বা জমি অধিকারে রাখিবার কারণে দখলদার বা ভাড়াটিয়া বা ইজারা গ্রহীতা কর্তৃক আইনতঃ প্রদেয় অর্থ বা দ্রব্য; 

(২০) 'খাদ্য' অর্থ ঔষধ এবং পানীয় ব্যতীত মানুষের পানাহারের নিমিত্ত ব্যবহৃত সকল প্রকার দ্রব্য; 

(২১) 'গণস্থান' অর্থ কোন ভবন, আঙ্গিনা অথবা স্থান যেখানে সাধারণ জনগণের প্রবেশাধিকার রহিয়াছে; 

(২২) 'মেয়র' অর্থ পৌরসভার কোন মেয়র; 

(২৩) 'জেলা' অর্থ District Act, 1836 (Act No. I of 1836)- এর অধীন সৃষ্ট জেলা; 

(২৪) 'টোল' অর্থ এই আইনের অধীন আরোপিত টোল; 

(২৫) 'ডেপুটি কমিশনার' অর্থে এই আইনের অধীনে সরকার কর্তৃক বিশেষভাবে নিয়োগকৃত কোন কর্মকর্তাকে বুঝাইবে যিনি ডেপুটি কমিশনারের সকল কিংবা যে কোন কার্য পালন করিবেন; 

(২৬) 'ড্রাগ বা ঔষধ' অর্থ অভ্যন্তরীণ অথবা বাহ্যিকভাবে ব্যবহারের জন্য ঔষধ হিসাবে ব্যবহৃত যে কোন দ্রব্য এবং ঔষধের মিশ্রণে অথবা প্রস্তুতিতে ব্যবহৃত যে কোন দ্রব্যও ইহার অন্তর্ভুক্ত হইবে; 

(২৭) 'ড্রেন' অর্থে ভূ-নিম্নস্থ নর্দমা, রাস্তা বা বাড়ি-ঘরের নর্দমা, সুড়ঙ্গ, কালভার্ট, পরিখা, নালা এবং বৃষ্টির পানি ও নোংরা পানি বহনের জন্য যে কোন প্রকার ব্যবস্থাও উহার অন্তর্ভুক্ত হইবে; 

(২৮) 'তফসিল' অর্থ এই আইনের সহিত সংযুক্ত তফসিল; 

(২৯) 'দখলদার' অর্থ একজন মালিক যিনি নিজের জমি বা ইমারতের প্রকৃত দখলদার এবং এমন ব্যক্তি যিনি সাময়িকভাবে জমি বা ইমারত বা উহার অংশের জন্য উহার মালিককে ভাড়া প্রদান করেন বা তাহা প্রদানের জন্য দায়ী থাকেন; 

(৩০) 'দুগ্ধ খামার' অর্থ কোন খামার, গরুর ছাউনি, গোয়াল ঘর, দুধ সংরক্ষণাগার, দুধের দোকান, অথবা এমন কোন স্থান যেখান হইতে দুধ অথবা দুগ্ধজাত দ্রব্য বিক্রয়ের জন্য সরবরাহ করা হয়; 

(৩১) 'দণ্ডবিধি' অর্থ The Penal Code (Act No. XLV of 1860);

(৩২) 'নির্ধারিত কর্তৃপক্ষ' অর্থ সরকার বা এই আইনের কোন সুনির্দিষ্ট উদ্দেশ্য পূরণকল্পে সরকার কর্তৃক ক্ষমতা প্রদত্ত যে কোন সরকারি কর্মকর্তা; 

(৩৩) 'নির্বাচন কমিশন' অর্থ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১১৮-এর অধীন প্রতিষ্ঠিত নির্বাচন কমিশন; 

(৩৪) 'নির্বাচন আপিল ট্রাইব্যুনাল' অর্থ এই আইনের ধারা ২৪ এর অধীন গঠিত নির্বাচন আপিল ট্রাইব্যুনাল; 

(৩৫) 'নির্বাচন ট্রাইব্যুনাল' অর্থ এই আইনের ধারা ২৪ এর অধীন গঠিত নির্বাচন ট্রাইব্যুনাল; 

(৩৬) 'নির্বাচন পর্যবেক্ষক' অর্থ কোন ব্যক্তি বা সংস্থা যাহাকে নির্বাচন কমিশন বা এতদুদ্দেশ্যে তদকর্তৃক অনুমোদিত কোন ব্যক্তি কর্তৃক এই আইনের অধীন কোন নির্বাচন পর্যবেক্ষণের জন্য লিখিতভাবে অনুমতি দেওয়া হইয়াছে; 

(৩৭) 'নৈতিক স্খলনজনিত অপরাধ' অর্থে দণ্ড বিধিতে সংজ্ঞায়িত চাঁদাবাজি, চুরি, সম্পত্তি আত্মসাৎ, বিশ্বাস ভংগ, ধর্ষণ, হত্যা, খুন এবং Prevention of Corruption Act, 1947 (Act No. II of 1947)-এ সংজ্ঞায়িত Criminal Misconduct ও ইহার অন্তর্ভুক্ত হইবে; 

(৩৮) 'পরিষদ' অর্থ পৌরসভার মেয়র ও কাউন্সিলরগণ সমন্বয়ে গঠিত পরিষদ; 

(৩৯) 'পল্লী এলাকা' অর্থ শহর নহে এইরূপ যে কোন অপেক্ষাকৃত পশ্চাদপদ ও অনগ্রসর কৃষিনির্ভর বা সামন্ত ব্যবস্থার ন্যায় পেশাজীবী লইয়া গড়িয়া উঠা জনপদ এবং ইউনিয়ন পরিষদের অধীন গ্রাম বা ওয়ার্ড লইয়া গঠিত এলাকা যাহা পৌরসভা বা সেনানিবাস এলাকার অন্তর্ভুক্ত নহে; 

(৪০) 'পুলিশ কর্মকর্তা' অর্থ পুলিশ বাহিনীর সাব-ইন্সপেক্টর ও তদূর্ধ্ব পদ-মর্যাদাসম্পন্ন কোন পুলিশ কর্মকর্তা; 

(৪১) 'প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা' অর্থ পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা; 

(৪২) 'প্রবিধান' অর্থ এই আইনের অধীনে প্রণীত প্রবিধান; 

(৪৩) 'পৌরসভা' অর্থ এই আইনের ধারা ৬ এর অধীন গঠিত পৌরসভা; 

(৪৪) 'পৌর এলাকা' অর্থ এই আইনের ধারা ৪(২) এ বর্ণিত এলাকা; 

(৪৫) 'পৌরসভা তহবিল' অর্থ পৌরসভার তহবিল; 

(৪৬) 'পৌরসভার মাস্টার প্ল্যান' অর্থ পৌরসভার সীমানার